বিশ্বপরিচয়


‘গোড়াতেই বলে রাখি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আসলে চেহারা কি জানবার জো নেই । বিশ্বপদার্থের নিতান্ত অল্পই আমাদের চোখে পড়ে । তা ছাড়া আমাদের চোখ কান স্পর্শেন্দ্রিয়ের নিজের বিশেষত্ব আছে । তাই বিশ্বের পদার্থগুলি বিশেষভাবে বিশেষরূপে আমাদের কাছে দেখা দেয় । ঢেউ লাগে চোখে, দেখি আলো । আর সূক্ষ্ম বা আর স্থুল ঢেউ সম্বন্ধে আমরা কানা । দেখাটা নিতান্ত অল্প, না-দেখাটাই অত্যন্ত বেশি । পৃথিবীর কাজ চালাব বলেই সেই অনুযায়ী আমাদের চোখ কান, আমরা যে বিজ্ঞানী হব প্রকৃতি সে খেয়ালই করে নি । মানুষের চোখ অণুবীক্ষণ ও দূরবীন এই দুইয়ের কাজই সামান্য পরিমাণে করে থাকে । বোধের সীমা বাড়লে বা বোধের প্রকৃতি অন্যরকম হলে আমাদের জগৎটাও হত অন্যরকম । বিজ্ঞানীর কাছে সেই অন্যরকমই তো হয়েছে । এতই অন্যরকম যে, যে-ভাষায়  আমরা কাজ চালাই এ জগতের পরিচয় তার অনেকখানিই কাজে লাগে না । প্রত্যহ এমন চিহ্নওয়ালা ভাষা তৈরি করতে হচ্ছে যে, সাধারণ মানুষ তার বিন্দুবিসর্গ বুঝতে পারে না ।’

–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( বিশ্বপরিচয় )

Advertisements

Natural Questions

untitled-8

The time will come when diligent research over long periods will bring to light things which now lie hidden. A single lifetime, even though entirely devoted to the sky, would not be enough for the investigation of so vast a subject . . .  And so this knowledge will be unfolded only through long successive ages. There will come a time when our descendants will be amazed that we did not know things that are so plain to them . . . Many discoveries are reserved for ages still to come, when memory of us will have been effaced. Our universe is a sorry little affair unless it has in it something for every age to investigate . . . Nature does not reveal her mysteries once and for all.
– Seneca, Natural Questions
Book 7, first century